সন্ধ্যেবেলায় হারিকেনের আলোটা উস্কে দিয়ে মা হাতে স্লেট পেনসিল ধরিয়ে দিল। তখন মন দিয়ে, অথবা মন দেবার ভান করে তাতে দু-একটা আঁচড় কাটতে কাটতেই চারপাশটা একবার মেপে নিল তিন্নি।
Showing posts with label ব্যক্তিগত গদ্য. Show all posts
Showing posts with label ব্যক্তিগত গদ্য. Show all posts
Tuesday, September 24, 2019
Sunday, June 16, 2019
পরবাসে – ৭
বছরে তিনটে বড় ছুটি। তার আগে আমাদের উত্তেজনার
সীমা থাকত না। একটা খোলা আকাশ, বাড়ীর স্নেহময় পরিবেশ যে কতটা দামী, তা বোধহয়
হোস্টেলে না থাকলে বোঝা যায় না। যে কোন ছুটির আগে অবশ্যকর্তব্য ছিল প্রতি ঘরে
কাগজে ১ থেকে ৩০ অবধি লিখে দেওয়ালে
সাঁটিয়ে দেওয়া। যে আগে উঠবে সে একটা একটা করে দিন কাটবে।
Saturday, June 15, 2019
পরবাসে – ৬
ছোট ছোট মেয়েগুলো শুধু স্কুলেই এল না,
চার পাঁচজন গুটি গুটি এসে হোস্টেলে ডেরা বাঁধল। একদিন বীণাদি আমাদের ডেকে বললেন,
একটি ছোট মেয়ে ভর্তি হয়েছে, তাকে যেন আমরা যথাসাধ্য সাহায্য করি।
Wednesday, June 5, 2019
পরবাসে – ৪
আমাদের বড়দি ছিলেন আরতি গুহ। অদ্ভুত
ছিল তাঁর পরিচালন দক্ষতা। কোনদিন জোরে কাউকে বকতে শুনিনি। বোধহয় তার দরকারই হয়নি
কখনো। অথচ হঠাৎ ডেকে পাঠালে বুক ধুকধুক, পা ঠকঠক করত না যার, সে কখনো বিনোদমঞ্জরীর
ছাত্রীই ছিল না।
Monday, June 3, 2019
পরবাসে – ২
সেলাই পরীক্ষার রি টেস্টে পাস করলাম।
করব জানা ছিল। কারণ এত অপদার্থ ফার্স্ট গার্ল বিনোদমঞ্জরী
আগে পায়নি। নিয়মের কিছু অদল বদল হয়ে থাকবে। এরপর থেকে গান সেলাই আর আঁকায় আমার
নম্বর চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে ৪০। মানে পাসমার্ক আর কি!
Saturday, June 1, 2019
পরবাসে – ১
বাবার ছিল বদলির চাকরি, তায় আবার বনবিভাগে। দিব্বি দিন কাটছিল আজ এখানে কাল ওখানে করে। দু’-তিন বছর পরে পরেই নতুন জায়গা, নতুন ইস্কুল, নতুন বন্ধু! কিন্তু বাকিদের সেটা সহ্য হলে তো! দেখা হলেই দীর্ঘশ্বাসের ঝড় বয়ে যেত – মেয়েটাকে কি এমনি জংলি করেই রাখবে অশোক / সেজদা / জামাইবাবু?
Friday, May 10, 2019
অথ-কুটু-চরিতকথা
কুটু মাহাত ভারী মুস্কিলে পড়েছে। অনেকদিনের সরকারি চাকুরে – বেলপাহাড়ীর রেঞ্জ অফিসারের আর্দালী সে। তা কত বড়বাবুই তো আসে যায়; কুটু সবার কাছেই কাজ করে। কিন্তু কই, এমন ফ্যাসাদে তো কেউ ফেলেনি তাকে!
Thursday, May 9, 2019
সবুজ শৈশবের গল্প (৮) - বিসর্জন পর্ব
বেলপাহাড়ীতে আসার পরে দেখা গেল সেখানে কোন ভাল স্কুল
নেই। তাই আমাকে পাঠান হল ঝাড়গ্রামে, - রাণী বিনোদমঞ্জরী রাষ্ট্রীয় বালিকা
বিদ্যালয়ে। হোস্টেলবাসের সেই শুরু।
Wednesday, May 8, 2019
সবুজ শৈশবের গল্প (৭) – বেলপাহাড়ী পর্ব
ডাউহিল ছেড়ে বেলপাহাড়ী। পাহাড়ঘেরা কুয়াশায় মোড়া শীত-শীত থেকে দুম করে রুক্ষ লাল মোরামের দেশে। গ্রীষ্মকালে মোরামের মাঠ গরম হয়ে আরো রাঙা হয়ে উঠত – উঁচুনীচু সেই রাঙা মাঠ তপ্ত হাওয়ার দোলায় মনে হত লাল সমুদ্দুর। কিন্তু সে তো অনেক পরের কথা।
Tuesday, May 7, 2019
সবুজ শৈশবের গল্প (৬) – ডাউহিল পর্ব
ক্লাস সিক্সে উঠে 1972 এ আবার ফিরে এলাম ডাউহিলে। ওখানের স্কুলে ভর্তি হওয়া মানেই পাকদণ্ডী বেয়ে চোরবাটো ধরে স্কুলে যাওয়া। ঢাল ধরে গড়িয়ে গেলে বেশ চটপট নেমে আসা যেত অনেকটা পথ। মাঝে মাঝে এ ওর ঘাড়ে গড়িয়ে গেলে নামাটা আরো তাড়াতাড়ি হত।
Monday, May 6, 2019
সবুজ শৈশবের গল্প (৫) – কলকাতা পর্ব
1970-1971 এই দুবছর কলকাতায় খারাপ কাটে নি। পাড়া আর স্কুলে নতুন নতুন বনধু বান্ধবী জুটে গেল। ওই সময় পড়ি স্বপনবুড়োর “কিশের সংকল্প”। বইটা আমাদের খুব প্রভাবিত করেছিল।
Saturday, May 4, 2019
সবুজ শৈশবের গল্প (৪) – বি এফ স্কুল পর্ব
মাদারিহাট থেকে বাবার এবার বদলি হলেন ডাউহিলে। Forest
Training School এর শিক্ষক হয়ে। সেই প্রথম নিজের বাড়িতে electricity
দেখা। একটা কথা ডাউহিলে এসে উপলব্ধি করলাম আমার বাড়ি এই পাহাড়েই। কাঞ্চনজঙ্ঘা,
তিস্তা আর জঙ্গল ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ।
Friday, May 3, 2019
সবুজ শৈশবের গল্প (৩) – মাদারীহাট পর্ব
কালিম্পং থেকে মাদারিহাট। সেখানেই পেলাম প্রথম জীবন্ত বন্ধুর দল। তার আগে তো গাছপালা আর কাঞ্চনজঙঘা ছাড়া বন্ধু ছিল না কেউ। মাদারিহাটে এসে প্রথম সমতলভূমি। প্রথম প্রথম একটু থতমত লাগত ঢালু পথে হেঁটে বড় হওয়া পায়ের। গাছপালা ঘেরা ক্যাম্পাসে থাকত ফরেষ্ট ডিপার্টমেন্টের হাতীরা।
Thursday, May 2, 2019
একটি সবুজ শৈশবের গল্প -২ (কালিম্পং পর্ব)
এভাবেই দিন কাটতে কাটতে বাবার বদলির হাত ধরে পৌঁছে যাওয়া লাভা,
আলগাড়া পেরিয়ে ছোট পাহাড়ী শহর কালিম্পংয়ে।
Subscribe to:
Posts (Atom)