Showing posts with label প্রবন্ধ. Show all posts
Showing posts with label প্রবন্ধ. Show all posts

Tuesday, December 18, 2018

পঞ্চকন্যা_(৫) -মন্দোদরী




অহল্যা দ্রৌপদী কুন্তী তারা মন্দোদরী তথা।
পঞ্চকন্যা স্মরেন্নিত্যং মহাপাতক নাশনম॥
*
পঞ্চকন্যার পঞ্চমার নাম মন্দোদরীএই কন্যাটির জন্য সপ্তকাণ্ড রামায়ণে বেশি শব্দ ব্যয় করেননি মহাকবি বাল্মিকী। কিন্তু ব্যক্তিত্বের হীরকদ্যুতির প্রভায় তাঁর এই স্বল্প উপস্থিতিও মনের চোরাকুঠুরিটা আলোয় আলোময় করে তোলে। যত অল্প জায়গা জুড়েই থাকুন না কেন, রামায়ণ পড়লে এই নামটি মনের মধ্যে শিকড় গেড়ে বসে – আরও হাজার একটা চরিত্রকে পিছনে ফেলে।

|| মন্দোদরী ||

Saturday, December 8, 2018

পঞ্চকন্যা_(৪) - তারা


অহল্যা দ্রৌপদী কুন্তী তারা মন্দোদরী তথা।
পঞ্চকন্যা স্মরেন্নিত্যং মহাপাতক নাশনম॥
*

এই পঞ্চকন্যা নিয়ে আমার বিস্ময় আর ফুরায় না। এক তো সেই পুরুষশাসিত যুগে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ দেখে তাবড় তাবড় বীর ও জ্ঞানী পুরুষেরা চুপ করে বসে থাকেন। স্ত্রীকে হাতি ঘোড়া রথের মতোই বাজি রাখেন একপঞ্চমাংশের স্বামীআবার নিজ শৌর্যের পরিচয় দিতে স্ত্রীকে উদ্ধার করার পরেও তাকে এমনই কটু অপমানজনক কথায় বিদ্ধ করেন তথাকথিত ঐশ্বরিক পুরোষোত্তম যে, রমণী ধিক্কারে, ঘৃণায় আগুনে ঝাঁপ দেন। আবার সেই যুগেই এই শ্লোক? দুই মহাকাব্যে এত অজস্র ঋষি মুনি রাজা মহারাজা থাকতে সর্বপাপ বিনাশ করতে পাঁচজন নারীকে বেছে নিতে হল শাস্ত্রকারদের? কিন্তু কেন?

পঞ্চকন্যা_(৩) - কুন্তী


অহল্যা দ্রৌপদী কুন্তী তারা মন্দোদরী তথা।
পঞ্চকন্যা স্মরেন্নিত্যং মহাপাতক নাশনম॥
*

কথা হচ্ছিল প্রাতঃস্মরণীয়া পাঁচজন মেয়ের। ভোরবেলায় যাঁদের নাম করলে মহাপাপও বিনাশ হয়। কিন্তু যাঁদের মতো হতে বলেন না কোন আশীর্বাদকই। এই বৈপরীত্যই বারে বারে আমাকে টেনে নিয়ে গেছে মহাভারতের মহাসমুদ্রে। প্রতীক ছেড়ে সহজভাবে খুঁজে বেরিয়েছি তাঁদের মানবী সত্ত্বাকে। জানতে চেয়েছি কোন অপরূপ চরিত্রবলে এঁরা সেই পুরুষপ্রধান যুগেও আপন স্বাতন্ত্র্যে ভাস্বর ছিলেন।

পঞ্চকন্যা_(২) - দ্রৌপদী


অহল্যা দ্রৌপদী কুন্তী তারা মন্দোদরী তথা।
পঞ্চকন্যা স্মরেন্নিত্যং মহাপাতক নাশনম॥
*

পঞ্চকন্যার দ্বিতীয়জন দ্রৌপদীআক্ষরিক অর্থেই অগ্নিকন্যা। মহাভারতের সর্বাধিক আলোচিত ব্যক্তিত্ব। এক স্বয়ংসম্পূর্ণা ক্ষত্রনারী। পঞ্চভূতের মধ্যে তেজসরূপিনী এই রমণীর দিকে তাকিয়ে আমার বিস্ময় আর শেষ হতে চায় না।

পঞ্চকন্যা_(১) - অহল্যা


অহল্যা দ্রৌপদী কুন্তী তারা মন্দোদরী তথা।
পঞ্চকন্যা স্মরেন্নিত্যং মহাপাতক নাশনম॥

প্রথম দর্শনে/শ্রবণেই শ্লোকটি আমার মর্মে গাঁথা হয়ে গিয়েছিল। প্রথম যখন শুনি তখন আমার বয়েস ষোল। সর্বগ্রাসী পড়ার নেশায় ততদিনে কাশীদাসী মহাভারত, কৃত্তিবাসী রামায়ণ, পদ্মাপুরাণ ইত্যাদি গেলা হয়ে গেছে। তাই ঠাকুমার মুখে ওই স্তোত্রটা শুনে বেশ চমকে গিয়েছিলাম। ঠাকুমা সম্ভবতঃ কোন পাঠের আসর থেকে সদ্য শিখে এসেছিলেন। পাপস্খলনের নিমিত্ত রোজ সকালে আওড়াতেন। আমি আমার চিরকেলে পটপটিয়া অভিধাটি সার্থক করে জানতে চেয়েছিলাম, - “ হ্যাঁ গো ঠাকুমা, বহুপতি থাকাটা বেশ পুণ্যের কাজ তাইলে, কি বলো?”