Showing posts with label বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা মেলে না. Show all posts
Showing posts with label বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা মেলে না. Show all posts

Sunday, November 24, 2019

নিষেধ মানতে হয়


[]
কমল খুবই ভালো ছেলে। পড়াশোনায়, খেলাধূলায়, গানেসবেতে চৌকস।এমন ছেলে নিয়ে বাবা মায়ের দুশ্চিন্তার কোনোই কারণ থাকার কথা নয়। কিন্তু আছে। বেশ গুরুতর রকমেরই আছে। অন্ততঃ বিকাশবাবু সেটা হাড়ে হাড়ে বুঝছেন। ছেলে নিয়ে তাঁর অশান্তির শেষ নেই।

Friday, December 21, 2018

লাল বলটা


সকালটা দেখে একেবারেই বোঝা যায় নি, দিনটা এইরকম ভাবে শেষ হবে। নেহাতই বড়দিনের ছুটি কাটাতে সিকিমে আসা। পাহাড়ে আবহাওয়াটা এই সময় খুবই সঙ্গ দেয় – আগেও দেখেছে রক্তিম। সিকিমের অর্কিড বা ফার্ণ দেখতে হলে অবশ্য মার্চেই আসা ভালো। কিন্তু ওই সময় ছুটি পাওয়া ঝকমারির ব্যাপার। তাই বরফে মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘাকেই প্রাধান্য দিয়ে চলে এসেছে ওরা দুই বন্ধু – রক্তিম আর প্রীতম।

স্বপ্ন শুধু স্বপ্ন নয়?


এমনিতে কিছুই বোঝা যায়নি বাইরে থেকে। ওর বয়েসী আর পাঁচটা ছেলের মতোই দীপান সকালে স্কুলে যায়, দুপুরে বোসেদের পুকুরে ঝাঁপাই জোড়ে, বিকেলে ডাংগুলি কিংবা কাবাডি – সন্ধ্যাবেলায় আধোঘুমে ঢুলতে ঢুলতে ভুল পড়া বলে মার কাছে বকুনিও খায় রোজ। কখনো কখনো খুব আনমনে বাগানের গাছপালা জড়িয়ে ধরে ধীরে ধীরে কথা বলে বটে, কিন্তু ওটুকু কল্পনাবিলাস তো সব শিশুরই থাকে। নাঃ, ছেলেটার মধ্যে কোন বিশেষত্ব আছে বলে তো সুমিতার মনে হয় নি কখনও। বরং তার ছেলে যে কোন অবস্থাতেই মিছে কথা বলেনা – সে ব্যাপারটায় একটু প্রচ্ছন্ন গর্বই জমে মায়ের বুকে।

বাঁশি


প্রথম বাঁশি শুনেছিল দশ বছর বয়েসে। তার আগে বইয়ের পাতাতে, ছবির মাধ্যমেই পরিচয়। একটুকরো ফুটোওয়ালা বাঁশ নিয়ে এত আদিখ্যেতার যে কি আছে তা ছোট্ট ইমনের মাথায় ঢোকে না। জিনিসটা গোটা হলেও বা না হয় কিছু মানে ছিল!

ফেরা


ফুলশয্যার রাতে অভী যখন বৌকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘মধুচন্দ্রিমায় কোথায় যেতে চাও,’ – তখন তার পিছনে নতুন বৌকে ইম্প্রেস করা ছাড়া দ্বিতীয় কোন উদ্দেশ্য ছিল না। প্রশ্নটা শুনে অনিরিনার মুখটি দশটা হাজার ওয়াটের বাতির মত ঝলমলিয়ে উঠল, দেখে অভীর মনও দুলে উঠল। ‘যেখানে বলব, নিয়ে যাবে আমায় ?’ সুন্দরী নতুন বৌকে জবাব দিতে গিয়ে পুরুষসিংহ হয়ে উঠল অভী –‘শুধু বলেই দেখ না !’

দরজার ওপারে


চোখ বুজলেই আজও সেই ছোট্ট মেয়েটাকে দেখতে পাই। দু’ হাতে বাবা মায়ের হাত ধরে ঝুলতে ঝুলতে ঠাকুর দেখতে যাচ্ছে। ভীড় শুরু হলেই বাবার কাঁধে। বাবার কাঁধটা কত্তো উঁচুতে! এবার সব দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তবুও প্যান্ডেল থেকে বেরোলে ঘামে মুখ জবজবে। মা তাড়াতাড়ি আঁচল দিয়ে মুখটা মুছিয়ে দেয়। নতুন শাড়ি আর সেন্টের গন্ধে আমার নাকমুখ ভরে ওঠে। আবার নাচতে নাচতে পথ চলি।