এমনিতে
কিছুই বোঝা যায়নি বাইরে থেকে। ওর বয়েসী আর পাঁচটা ছেলের মতোই দীপান সকালে স্কুলে
যায়, দুপুরে বোসেদের পুকুরে ঝাঁপাই জোড়ে, বিকেলে ডাংগুলি কিংবা কাবাডি –
সন্ধ্যাবেলায় আধোঘুমে ঢুলতে ঢুলতে ভুল পড়া বলে মার কাছে বকুনিও খায় রোজ। কখনো কখনো
খুব আনমনে বাগানের গাছপালা জড়িয়ে ধরে ধীরে ধীরে কথা বলে বটে, কিন্তু ওটুকু
কল্পনাবিলাস তো সব শিশুরই থাকে। নাঃ, ছেলেটার মধ্যে কোন বিশেষত্ব আছে বলে তো
সুমিতার মনে হয় নি কখনও। বরং তার ছেলে যে কোন অবস্থাতেই মিছে কথা বলেনা – সে
ব্যাপারটায় একটু প্রচ্ছন্ন গর্বই জমে মায়ের বুকে।