Friday, May 3, 2019

সবুজ শৈশবের গল্প (৩) – মাদারীহাট পর্ব


কালিম্পং থেকে মাদারিহাট। সেখানেই পেলাম প্রথম জীবন্ত বন্ধুর দল। তার আগে তো গাছপালা আর কাঞ্চনজঙঘা ছাড়া বন্ধু ছিল না কেউ। মাদারিহাটে এসে প্রথম সমতলভূমি। প্রথম প্রথম একটু থতমত লাগত ঢালু পথে হেঁটে বড় হওয়া পায়ের। গাছপালা ঘেরা ক্যাম্পাসে থাকত ফরেষ্ট ডিপার্টমেন্টের হাতীরা।

Thursday, May 2, 2019

একটি সবুজ শৈশবের গল্প -২ (কালিম্পং পর্ব)

এভাবেই দিন কাটতে কাটতে বাবার বদলির হাত ধরে পৌঁছে যাওয়া লাভা, আলগাড়া পেরিয়ে ছোট পাহাড়ী শহর কালিম্পংয়ে।

Friday, April 26, 2019

একটি সবুজ শৈশবের গল্প - (১) - লাভা পর্ব




 লাভা পর্ব

এই মনে পড়া, মনে করার খেলা খেলতে খেলতে কতদূর যাওয়া যায় জানিনা। চোখ বন্ধ করে পিছোতে পিছোতে যেখানে আমার প্রথম চোখ খুলল, সেখানে দেখি একটা ছোট্ট মেয়েএই সবে বছর দুই কি তিনখাটে শুয়ে আছে।

Monday, April 22, 2019

শেষ উত্তর


কেন যে ছাই মাথায় অঙ্কটা ঢোকে না কিছুতেই? প্রায় পৌনে ঘণ্টা ধস্তাধস্তির নেট ফল হলো বাবার চেয়ে ছেলের বয়েস দশ বছর বেশি! রাগের চোটে মাথার  চুলগুলোকে উপড়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে শিবানীর। এই অঙ্কটা বিকেলে ওই গুণধরকে দেখাতে হবে ভেবে রাগটা আরও একমাত্রা বেশি।

Thursday, April 18, 2019

সংঘাত


অনেকদিন মানে প্রায় অর্ধশতাব্দীর ওপারের এক শীতের সকাল। হিমেল হাওয়ায় গাছের পাতাথেকে শিশির ঝরে পড়ছে – টুপ্ টাপ্ টুপ্ টাপ্পাখিরা সব ঘুম থেকে উঠে পোকামাকড়ের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছে। রোদের ওম গায়ে জড়িয়ে আরাম করার জো নেই তাদের। ভোরের লাল রঙ ছেড়ে সুজ্যিঠাকুরের রঙ এখন নরম সোনালি। একটু পরে আলো রূপোলি হয়ে গেলেই সে বনের পাতাদের ফাঁক গলে নেমে এসে মাটিতে সুন্দর আলোছায়ার আলপনা তৈরি করবে। তারপরে এই শিশিরে ভেজা মাটি, ঝরাপাতার দল দিব্বি গা শুকিয়ে খটখটে হয়ে উঠবে। তখন এই পথ দিয়ে কেউ চললেই মচ মচ আওয়াজ উঠবে।

Wednesday, April 17, 2019

নববর্ষের উপহার


আমার ছোটবেলায় নববর্ষ অথবা নিউ ইয়ারস ইভ কোনোটাই ছিলো না জানেন? তার চেয়েও বড় কথা বোধহয় এটাই যে সে ব্যাপার নিয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথাও ছিলো না।

Friday, April 12, 2019

পরজনমে হইয়ো রাধা


পবিত্র দেবভূমি হৃষিকেশ। গৈরিকবসনা গঙ্গার তীর ধরে একটু এগিয়ে গেলে ডানদিকের বন চিরে যে পাথুরে পায়ে চলা রাস্তাটা চলে গেছে, তা শেষ হয়েছে একটা ছোট্ট আশ্রমে।